জন্মভূমি কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর | ৬ষ্ঠ শ্রেণী বাংলা ১ম পত্র CQ

SHARE:

জন্মভূমি কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর | ৬ষ্ঠ শ্রেণী বাংলা ১ম পত্র CQ
সৃজনশীল - ১
ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা; তাহার মাঝে আছে দেশ এক ? সকল দেশের সেরা ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ, স্মৃতি দিয়ে ঘেরা; এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি
কবির অঙ্গ জুড়ায় কীসে?
কবির শেষ ইচ্ছা— ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে 'জন্মভূমি' কবিতার কোন দিকটির মিল লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক ও কবিতায় জন্মভূমিকে রানি সম্বোধন করার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা কর ।
ক-এর উত্তর
জন্মভূমির স্নেহচ্ছায়ায় কবির অঙ্গ জুড়ায়।
খ-এর উত্তর
কবির শেষ ইচ্ছা হলো, তিনি জন্মভূমির মাটিতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন।এ দেশে জন্মগ্রহণ করে এবং জন্মভূমিকে ভালোবাসতে পেরেই কবি তাঁর জীবনের সার্থকতা অনুভব করেন। এ দেশের মাটিতে জন্ম নিয়ে, এর সূর্যালোকে চোখ জুড়িয়ে এবং মাতৃভূমির স্নেহচ্ছায়ায় কবি সুখ ও শান্তি লাভ করেছেন। জন্মভূমির অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ কবির শেষ ইচ্ছা, এ দেশের মাটিতেই তিনি যেন চিরনিদ্রায় শায়িত হতে পারেন।
গ-এর উত্তর
জন্মভূমিকে শ্রেষ্ঠ মনে করার দিক দিয়ে উদ্দীপকটি ‘জন্মভূমি’ কবিতার সাথে মিল লক্ষ করা যায়।প্রকৃতিগতভাবেই মানুষের জন্মভূমির প্রতি মমত্ববোধ তৈরি হয়। জন্মভূমির আশ্রয়ে বেড়ে ওঠার কারণে আরও আপন মনে হয় এবং জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার কারণেই তাকে সব দেশের চেয়ে সেরা মনে হয়।'জন্মভূমি' কবিতায় কবি এদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে জীবনকে সার্থক মনে করেছেন। জন্মভূমির সবকিছু কবিকে মুগ্ধ করে। তাই তিনি এদেশের মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হতে চান। উদ্দীপকে কবি স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজের দেশকে সব দেশের মধ্যে সেরা মনে করেছেন। কবির কাছে তার জন্মভূমিকে অন্য সব দেশের রানি মনে হয়েছে। ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে 'জন্মভূমি' কবিতার কবি ও উদ্দীপকের কবির মধ্যে মাতৃভূমিকে শ্রেষ্ঠ মনে করার দিক থেকে মিল রয়েছে।
ঘ-এর উত্তর
উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতায় জন্মভূমিকে রানি সম্বোধন করার পেছনে যৌক্তিকতা রয়েছে। কারণ রানি যেমন নানা ধনসম্পদে ও সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ থাকে তেমনি আমাদের দেশও শস্য-শ্যামল ও সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ।আমাদের এ দেশ নানা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্পদে পরিপূর্ণ। বাংলা প্রকৃতির এই সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্যের জন্য এ দেশ পৃথিবীর সকল দেশের সেরা।উদ্দীপকের প্রথমে পৃথিবীর বন্দনা করা হয়েছে। এই পৃথিবীর সকল দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে। এদেশের মতো আর কোনো দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে কবি মনে করেন। “জন্মভূমি' কবিতায়ও কবি এদেশে জন্মগ্রহণ করাতে জীবন সার্থক মনে করেছেন। জন্মভূমির অপরূপ সৌন্দর্যে কবি মুগ্ধ। কবি জন্মভূমির স্নেহচ্ছায়ায় বেড়ে ওঠাকেই বড় বলে মনে করেন। আমাদের দেশে রয়েছে সৌন্দর্য ও শস্য-শ্যামলের প্রাচুর্য যা রানির সাথে সাদৃশ্য তৈরি করে। তাই উদ্দীপক ও কবিতায় জন্মভূমিকে রানি বলা যৌক্তিক হয়েছে।
সৃজনশীল - ২
দেশের মাটি দেশের মানুষ নানা রকম বেশ, রাড়ি বাগান পাখপাখালি সব মিলে এক ছবি, নেই তুলি নেই রঙ, তবুও আঁকতে পারি সবই।
'গগন' শব্দের অর্থ কী?
চাঁদ গগনে কীভাবে হেসে ওঠে?
'জন্মভূমি' কবিতায় উদ্দীপকের কোন বিষয়টি অনুপস্থিত রয়েছে? ব্যাখ্যা কর ।
“'জন্মভূমি' কবিতায় এবং উদ্দীপকে মাতৃভূমির প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।” - মন্তব্যটিতে যুক্তি দেখাও।
ক-এর উত্তর
গগন' শব্দের অর্থ আকাশ।
খ-এর উত্তর
কোমল স্নিগ্ধ উজ্জ্বল আলোয় চাঁদ গগনে হেসে ওঠে।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার আমাদের এই সোনার বাংলাদেশ। এদেশের মাঠে-ঘাটে, নদীতে, পাহাড়ে যেমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রূপটি আমাদের নয়নকে আনন্দ দেয়, দিনের সূর্য যেমন পৃথিবীর বুকে আলো ও উষ্ণতা দেয়, অনুরূপভাবে রাতের আকাশ স্নিগ্ধ, কোমল ও মায়াবী হয়ে ওঠে চাঁদের আলোয়। মনে হয় গগনজুড়ে চাঁদটি হেসে উঠেছে।
গ-এর উত্তর
জন্মভূমি' কবিতায় উদ্দীপকের নানা রকম মানুষের বর্ণনার বিষয়টি অনুপস্থিত রয়েছে।মাতৃভূমির প্রতি মমত্ব থাকা প্রত্যেক মানুষের উচিত। কারণ জন্মের পর মানুষের প্রথম আশ্রয়ের জায়গাটি তার প্রিয় জন্মভূমিতেই। তারপর এটি মানুষকে মাতৃস্নেহে বড় করতে থাকে তার আলো-বাতাসে। উদ্দীপকে স্বদেশপ্রেমের পাশাপাশি স্বদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পরিচয় ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে ‘জন্মভূমি’ কবিতায় স্বদেশের প্রতি অগাধ মমত্ববোধের কথাটি থাকলেও এদেশের মানুষের পেশা বা জীবনাচরণের বর্ণনা নেই। সুতরাং দেশের মানুষের নানা পেশার দিকটি 'জন্মভূমি' কবিতায় অনুপস্থিত রয়েছে।
ঘ-এর উত্তর
“'জন্মভূমি' কবিতা এবং উদ্দীপকে মাতৃভূমির প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।” - মন্তব্যটি যথার্থ।মানুষের মনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে গড়ে তোলার যত উপাদান রয়েছে সেগুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক অনুষঙ্গই প্রধান। বাংলার প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ বা উপাদান আমাদের অহংকার। উদ্দীপকের বর্ণনা থেকে জানা যায় মাটি, বাগান ও পাখপাখালির কথা। এগুলো প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ। এসব অনুষঙ্গ যেমন একদিকে দেশের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়, অন্যদিকে মাটির প্রতি মমত্ববোধও তৈরি করে। 'জন্মভূমি' কবিতায়ও কবি প্রাকৃতিক নানা অনুষঙ্গ বর্ণনা করেছেন। এ দেশের মাটি, আলো, বাতাসে কবি লালিত-পালিত। বৃক্ষের সুশীতল ছায়ায় বসে কবি যেন সবসময় মায়ের পরশ পান। উদ্দীপকে যেমন মাটি, মাঠ, বাগান ও পাখপাখালিসহ প্রাকৃতিক নানা উপাদান বর্ণিত হয়েছে, 'জন্মভূমি' কবিতায়ও প্রিয় জন্মভূমির মাটি, আলো-বাতাস, বৃক্ষ ও ছায়াসহ নানা প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের বর্ণনা রয়েছে। সুতরাং 'জন্মভূমি' কবিতা এবং উদ্দীপকে মাতৃভূমির প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সৃজনশীল - ৩
(i) জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে। (ii) 'সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে । সার্থক জনম, মাগো, তোমায় ভালোবেসে
উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশ কোন কবিতার অংশবিশেষ?
কবির জনম সার্থক কেন?
উদ্দীপক দুটির মধ্যে সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
জন্মভূমির প্রতি কবির ব্যাকুলতা উদ্দীপকের আলোকে বিচার কর ।
ক-এর উত্তর
উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশ, 'জন্মভূমি' কবিতার অংশবিশেষ।
খ-এর উত্তর
এই দেশে জন্মে এবং এই দেশকে ভালোবেসে কবির জন্ম সার্থক হয়েছে।কবি এদেশে জন্মগ্রহণ করেছেন। এদেশের প্রকৃতি, এদেশের সৌন্দর্য সবই তাঁকে মুগ্ধ করেছে এবং এদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে, এদেশকে ভালোবাসতে পেরে তাই তাঁর জীবন সার্থক হয়েছে। এই দেশের রানির মতো ধনসম্পত্তি আছে কিনা তা কবি ভাবেননি। তিনি এই দেশের প্রকৃতিতে নিজের জীবন বিলীন করে দিতে চান শুধু এই দেশের প্রতি ভালোবাসা বোধ থেকে। এ দেশে জন্মগ্রহণ করে এবং এ দেশকে ভালোবেসে কবির জন্ম সার্থক হয়েছে।
গ-এর উত্তর
জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার দিক দিয়ে উদ্দীপক দুটির মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে।জন্মভূমি আমাদের মায়ের মতো। আমরা মায়ের কোলে জন্ম নিই এবং বেড়ে উঠি। একইভাবে আমরা দেশের কোলে জন্ম নিই এবং বেড়ে উঠি। তাই আমরা মাকে যেভাবে ভালোবাসি, দেশকেও সেভাবেই ভালোবাসি।উদ্দীপক (i)-এ দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসাবোধ প্রকাশ পেয়েছে। আর এই ভালোবাসা থেকেই জন্মভূমিতে জন্ম নিয়ে আবার সেখানেই মারা যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন কবি। উদ্দীপক (ii)-এ নিজ দেশে জন্ম নিয়ে নিজেকে সার্থক মনে করা হয়েছে। কবি দেশের প্রতি অগাধ ও অসীম ভালোবাসা থেকেই নিজেকে দেশের অংশ মনে করে এমন ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। উদ্দীপক দুটির মধ্যে দেশের প্রতি এক গভীর ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলা যায়, জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার দিক থেকে উদ্দীপক দুটির সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ-এর উত্তর
উদ্দীপকের মাঝে জন্মভূমির প্রতি কবির ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে।জন্মভূমির সঙ্গে প্রত্যেক মানুষেরই মনের গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়। জন্মের পর থেকে দেশের আলো, বাতাস, প্রকৃতি— সবকিছু মানুষের মনে এই ভালোবাসার সত্যার ঘটায়। তাই জন্মভূমি প্রত্যেকের কাছে প্রাণের চেয়েও প্রিয়।উদ্দীপক (i)-এ নিজ দেশে জন্ম নিয়ে সেই দেশেই নিজের মৃত্যু যেন নিশ্চিত হয় সেই কামনা করা হয়েছে। দেশ থেকে দূরে গিয়ে মানুষ শান্তিতে মরতেও পারে না। দেশের প্রতি ব্যাকুলতা ও ভালোবাসা থেকেই মানুষের এমন বোধ জাগ্রত হয়। উদ্দীপক (ii)-এ দেশে জন্ম নিয়ে এবং তাকে ভালোবেসে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন কবি। কারণ, নিজ দেশের সৌন্দর্য মানুষকে এতটাই বিমোহিত করে যে, তাকে ভালোবাসতে পারলেও নিজেকে ধন্য মনে হয়।উদ্দীপক (i)-এ নিজের দেশে নিজের জন্ম ও মৃত্যু কামনার মধ্য দিয়ে কবি হৃদয়ের গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটিয়েছেন জন্মভূমির প্রতি। অন্যদিকে উদ্দীপক (ii)-এ নিজ দেশে জন্মে ও দেশকে ভালোবেসে নিজেকে সার্থক মনে করতে পারার অনুভূতি দেশের প্রতি ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ। তাই বলা যায়, জন্মভূমিকে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে উদ্দীপকে জন্মভূমির প্রতি কবির ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে।
সৃজনশীল - ৪
ভোরের সূর্যের সোনালি আলোয় জেগে ওঠে দেশ...
কবির চোখ জুড়ায় কিসে?
কবি তাঁর জন্মভূমিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হতে চান কেন?
উদ্দীপকটি 'জন্মভূমি' কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
“উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতার মূলভাব পুরোপুরি এক নয়”— মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর
ক-এর উত্তর
জন্মভূমির আলোয় কবির চোখ জুড়ায়।
খ-এর উত্তর
দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থাকার কারণে কবি তাঁর জন্মভূমিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হতে চান।জন্মের পর চোখ মেলে কবি এই দেশের আলো দেখেছেন, যা কবির চোখ জুড়িয়ে দিয়েছে। এই দেশকে কবি ভালোবেসেছেন সমস্ত সত্তা দিয়ে। দেশের প্রতি অসীম ভালোবাসা থাকার কারণে কবি তাঁর জন্মভূমিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হতে চান।
গ-এর উত্তর
স্বদেশের সৌন্দর্য বর্ণনার দিক দিয়ে উদ্দীপকটি 'জন্মভূমি' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এদেশের প্রত্যেক মানুষকেই মুগ্ধ করে। প্রকৃতি যেন তার সব মাধুরী দিয়ে সাজিয়েছে বাংলাকে। আর এই সৌন্দর্যপ্রীতি থেকেই জন্ম নেয় ভালোবাসা ও দেশপ্রেম।উদ্দীপকের বর্ণনায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা। এদেশ ভোরের সূর্যের সোনালি আলোয় জেগে ওঠে। পাখির ডাক, দোয়েলের শিস, কৃষকের মাঠে যাওয়া, মাঝির নৌকা বাওয়া, ফসলের মাঠ, সবুজের সমারোহ— সবকিছুর মাঝেই অপরূপ সৌন্দর্য লক্ষ করা যায়। 'জন্মভূমি' কবিতায়ও কবি বাংলার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। এদেশের প্রকৃতির প্রতিটি অনুষঙ্গেই কবি মুগ্ধ হয়েছেন। আর এভাবেই উদ্দীপকটি 'জন্মভূমি' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ-এর উত্তর
"উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতার মূলভাব পুরোপুরি এক নয়”— মন্তব্যটি যথার্থ।জন্মভূমির বিভিন্ন অনুষঙ্গের সৌন্দর্য থেকে মানুষ কখনো বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। জন্মভূমির সৌন্দর্য মানুষকে বারবার মুগ্ধ করে। আর এই মুগ্ধতা থেকেই জন্ম নেয় ভালোবাসা।'জন্মভূমি' কবিতায় কবি বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। এদেশের বাগানে ফুল, চাঁদের জ্যোৎস্না, সূর্যের আলো— সবকিছুতেই ছড়িয়ে আছে অফুরন্ত সৌন্দর্য। স্বদেশের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে কবি মুগ্ধ হয়েছেন। উদ্দীপকেও বলা হয়েছে এদেশের ভোরের সূর্যের সোনালি আলো, পাখির ডাক, সবুজের সমারোহ, ফসলের মাঠের সৌন্দর্যের কথা।উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতা— উভয় ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা রয়েছে। তবে 'জন্মভূমি' কবিতায় বাংলার সৌন্দর্য বর্ণনার পাশাপাশি দেশপ্রেমের বিষয়টিও গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে, যা উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, উদ্দীপক ও ‘জন্মভূমি' কবিতার মূলভাব পুরোপুরি এক নয় মন্তব্যটি যথার্থ।
সৃজনশীল - ৫
আমি ভালোবাসি আমার নদীর বালুচর...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
জন্মভূমির ছায়াতলে এসে কবির অঙ্গ জুড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা কর ।
উদ্দীপকে 'জন্মভূমি' কবিতার কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? বর্ণনা কর।
“উদ্দীপকে ‘জন্মভূমি' কবিতার সব দিক ফুটে ওঠেনি”— মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর ।
ক-এর উত্তর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
খ-এর উত্তর
প্রিয় মাতৃভূমির ছায়াতলে এলে কবির অঙ্গ জুড়ানোর কারণ হলো, এটি কবিকে সব হতাশা ও ক্লান্তির ভাব দূর করে এক সফল জীবনের সন্ধান দেয়।'জন্মভূমি' কবিতাটিতে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বদেশপ্রেমের অপরূপ চিত্র তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন, মা যেমন শিশুকে স্নেহ-মায়া-মমতা ও ভালোবাসা দ্বারা আপন করে নেয়, অনুরূপভাবে প্রিয় জন্মভূমিও কবিকে আপন করে নিয়েছে। এমন দেশমাতৃকার স্নেহই একমাত্র কবির কাম্য। প্রিয় স্বদেশের স্বর্গীয় ভূমিতে মাথা রাখলে সব সমস্যার সমাধান আসে, নতুন জীবনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। এসব কারণেই প্রিয় মাতৃভূমির ছায়াতলে এলে কবির অঙ্গ জুড়ায়।
গ-এর উত্তর
উদ্দীপকে 'জন্মভূমি' কবিতার প্রকৃতিচেতনার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।নানা বিষয়ের সমন্বয়ে পৃথিবী সজ্জিত। এত সব উপাদানের ভিতরে প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের ভূমিকা সর্বাগ্রে। কেননা এটি সুন্দরকে আরও বেশি সুন্দর, সজীবতাকৈ আরও বেশি সজীব করে থাকে।উদ্দীপকের কবি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা একটি ছবির মতো দেশের বর্ণনা দিয়েছেন। শরতের সকালে কাশফুল ফুটতে থাকে, নদীর বালুচরে পাখিদের বসবাস দেখা যায়। আবার শীতকালেও প্রকৃতির শোভাবর্ধন করে বিভিন্ন প্রজাতির হাঁসের ছড়াছড়িতে। 'জন্মভূমি' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সবুজ-শ্যামল প্রিয় জন্মভূমির ঐশ্বর্যের বর্ণনা দিয়েছেন বিভিন্ন ধরনের ফুল, আকাশের চাঁদ ও গাছের সৌন্দর্য আরেক ধাপ বৃদ্ধি করে। সুতরাং উদ্দীপকে 'জন্মভূমি' কবিতার প্রাকৃতিক বিষয়টির ইঙ্গিত রয়েছে।
ঘ-এর উত্তর
“উদ্দীপকে 'জন্মভূমি' কবিতাটির সব দিক ফুটে ওঠেনি”— মন্তব্যটি যথার্থ।জন্মের পর স্বদেশই মানুষের প্রথম আশ্রয়স্থল হয়। এজন্যই জন্মভূমি প্রত্যেকের কাছে খুবই মমতার ও ভালোবাসার। আস্তে আস্তে মানুষ জন্মভূমির আলো-বাতাসে লালিত-পালিত হতে থাকে, আরও বেশি দেশমাতৃকার সঙ্গে ব্যক্তিমনের অভিন্ন জগৎ তৈরি হয়।উদ্দীপক থেকে জানা যায় কবির স্বদেশপ্রকৃতির বৈচিত্র্যময় শোভা। বছরের কোনো কোনো সময় দেখা যায় নদীতীরের বালুচরে চকাচকির ঘর বাঁধা। আবার কখনো দেখা যায় ভিন্ন প্রজাতির হাঁস ও কাশফুলের মনোমুগ্ধকর চিত্র। 'জন্মভূমি' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বদেশপ্রেমের প্রতি ভালোবাসা ও মমতা ফুটে উঠেছে। দেশমাতৃকার কাছ থেকে কবি যে মমতা ও ভালোবাসা পাচ্ছেন তা অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। বিপদে-আপদে এটি কবির শ্রেষ্ঠ ও একমাত্র আশ্রয়স্থল।উদ্দীপকে শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ঘেরা বিভিন্ন ঋতুর অপরূপ শোভার বিষয়টি জানা যায়। অন্যদিকে 'জন্মভূমি' কবিতায় স্বদেশের শোভা, মমতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটি অসাধারণত্বের সঙ্গে বর্ণিত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটিই একমাত্র বিষয় নয় 'জন্মভূমি' কবিতায়; বরং বৈচিত্র্যপূর্ণ বিষয়েরও সংযোজন ঘটেছে। সুতরাং মন্তব্যটি যথার্থ।
সৃজনশীল - ৬
ঝিঙে ফুল' কবিতায় কবি কেন 'মাটি-মা' কে ভালোবাসার কথা বলেছেন?
এশীয়দের মধ্যে প্রথম নোবেল বিজয়ী কবি কে?
কবি দেশের আলোয় নয়ন রেখে মৃত্যুবরণ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন কেন?
উদ্দীপকের সঙ্গে 'জন্মভূমি' কবিতার কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে?
“উদ্দীপকের ক্রিস্টিন এবং 'জন্মভূমি' কবিতার কবির চেতনা একই সূত্রে গাঁথা" - মন্তব্যটি যাচাই কর।
ক-এর উত্তর
এশীয়দের মধ্যে প্রথম নোবেল বিজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
খ-এর উত্তর
দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থাকার কারণে কবি দেশের আলোয় চোখ রেখে মৃত্যুবরণ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।জন্মের পর চোখ মেলে প্রথমে কবি দেশের আলো দেখেছেন, যা কবির চোখ জুড়িয়ে দিয়েছে। দেশকে কবি ভালোবেসেছেন সমস্ত সত্তা দিয়ে এবং দেশের প্রতি অসীম ভালোবাসা থাকার কারণে দেশের আলোয় চোখ রেখে মৃত্যুবরণ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
গ-এর উত্তর
উদ্দীপকের সঙ্গে 'জন্মভূমি' কবিতার দেশের প্রতি ভালোবাসার দিক দিয়ে সাদৃশ্য রয়েছে।জন্মভূমি থেকে মানুষ অনেক দূরে থাকলেও তার প্রতি এক ধরনের ভালোবাসার টান কাজ করে। অনেক দূরে থাকলেও মানুষ তার মাতৃভূমির কথা ভুলতে পারে না। আর এটিই হলো দেশপ্রেম ও দেশের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।উদ্দীপকের ক্রিস্টিন দেশের বাইরে থাকলেও দেশে ফিরে আসার পর দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাকে মুগ্ধ করে। দেশের প্রতি ভালোবাসা জন্মানোর কারণেই সে আর দেশ ছেড়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। 'জন্মভূমি' কবিতায়ও কবি দেশের সৌন্দর্যের কথা তুলে ধরেছেন। দেশের প্রতি ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের ভিন্নতা প্রকাশ করেছেন। উদ্দীপকে কিস্টিনের দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে আর কবিতায় কবির দেশপ্রেম উঠে এসেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতা দেশপ্রেমের দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ-এর উত্তর
“উদ্দীপকের ক্রিস্টিন এবং 'জন্মভূমি' কবিতার কবির চেতনা একই সূত্রে গাঁথা”— উক্তিটি সার্থক হয়েছে।মা যেমন ছোট থেকে আমাদের বড় করে তোলে, দেশের মাটি, দেশের প্রকৃতিও আমাদেরকে সেভাবেই গড়ে তোলে। তাই দেশের প্রতি আমাদের সবার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।উদ্দীপকের ক্রিস্টিন দেশের বাইরে থাকলেও দেশে ফিরে সে দেশের প্রতি ভালোবাসা অনুভব করে। দেশের প্রকৃতি দেখে সে মুগ্ধ হয়ে দেশেই থেকে যায়। দেশের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাবোধ তাকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। 'জন্মভূমি' কবিতায় কবি দেশের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। এদেশে জন্ম নেওয়ায় তিনি নিজেকে সার্থক মনে করেছেন।উদ্দীপকে ক্রিস্টিনের দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে আর কবিতায় কবিরও দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশিত হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ক্রিস্টিন এবং ‘জন্মভূমি' কবিতার কবির চেতনা একই সূত্রে গাঁথা।
সৃজনশীল - ৭
আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয়- হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে; হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়; হয়তো বা হাঁস হবো- কিশোরীর ঘুঙুর রহিবে লাল পায়, সারাদিন কেটে যাবে কলমির গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে; আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
কবি কাকে ভালোবেসে সার্থক হয়েছেন?
কবি কেন জন্মভূমিকে মায়ের সাথে তুলনা করেছেন? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকটিতে 'জন্মভূমি' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর ।
“উদ্দীপকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটিই 'জন্মভূমি' কবিতার মূলভাব।” – বিশ্লেষণ কর ।
ক-এর উত্তর
কবি জন্মভূমিকে ভালোবেসে সার্থক হয়েছেন।
খ-এর উত্তর
জন্মভূমিতে আমরা জন্মের পর থেকে বেড়ে উঠি। তাই কবি জন্মভূমিকে মায়ের সাথে তুলনা করেছেন।জন্মের পর থেকে মানুষ নিজ দেশের আলো-ছায়া ও আবহাওয়ায় বেড়ে ওঠে। মানুষের বেড়ে ওঠার পেছনে যেমন তার মায়ের ভূমিকা অপরিসীম, তেমনই জন্মভূমির ভূমিকাও অনস্বীকার্য। কারণ জন্মভূমিও মানুষকে মায়ের মতো আলো, বাতাস, ছায়া, মমতা ইত্যাদি দিয়ে আগলে রাখে। কবিতায় কবি নিজের জন্মভূমির কথাও এভাবে ব্যক্ত করেছেন। তাই তিনি জন্মভূমিকে মায়ের সাথে তুলনা করেছেন।
গ-এর উত্তর
উদ্দীপকটিতে 'জন্মভূমি' কবিতার বাংলার প্রকৃতির সৌন্দর্যে কবির মুগ্ধতার দিকটি ফুটে উঠেছে।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের এই দেশ। প্রকৃতি তার নানা অনুষঙ্গে সজ্জিত করেছে এই বাংলাকে। বাংলার এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মানুষ বারবার মুগ্ধ হয়েছে। মুগ্ধতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে তাদের অনুভূতিতে।‘জন্মভূমি' কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এক চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। প্রকৃতির প্রতিটি অনুষঙ্গই কবিকে মুগ্ধ করেছে। এই মুগ্ধতা থেকে প্রকাশ পেয়েছে দেশের প্রতি কবির গভীর ভালোবাসা। বাগানের ফুল, সূর্যের আলো, চাঁদের জোৎস্না- সর্বত্রই ছড়িয়ে আছে অবারিত সৌন্দর্যের ঘনঘটা। উদ্দীপকের কবিতাংশেও বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে কবির মুগ্ধতার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে দেশের প্রতি জাগ্রত প্রচণ্ড ভালোবাসা থেকেই মৃত্যুর পরেও আবার এই দেশে ফিরে আসতে চেয়েছেন। 'জন্মভূমি' কবিতার স্বদেশের প্রকৃতিকে ভালোবাসার ও মুগ্ধতার দিকটিই উদ্দীপকের কবিতাংশে উঠে এসেছে।
ঘ-এর উত্তর
"উদ্দীপকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটিই 'জন্মভূমি' কবিতার মূলভাব।”— মন্তব্যটি যথার্থ।জন্মভূমির প্রতিটি বিষয়ের সঙ্গেই রয়েছে মানুষের গভীর সম্পর্ক। জন্মভূমির বিভিন্ন অনুষঙ্গের সৌন্দর্য থেকে মানুষ কখনো বিচ্ছিন্ন নয়। এই সৌন্দর্যপ্রীতি থেকেই মানুষের মধ্যে জন্ম নেয় ভালোবাসা ও দেশপ্রেম।'জন্মভূমি' কবিতায় কবি মুগ্ধ দৃষ্টিতে বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনায় কবির মমত্ববোধ ও গভীর দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে। এ কারণেই কবি এই বাংলায় জন্মগ্রহণ করে, জন্মভূমিকে ভালোবাসতে পেরে জীবনের সার্থকতা অনুভব করেছেন। কবি মাতৃভূমির স্নেহচ্ছায়ায় যে সুখ ও শান্তি লাভ করেছেন তা অতুলনীয়।উদ্দীপকের কবিতাংশেও কবি বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মুগ্ধতায় ফুটে উঠেছে গভীর দেশপ্রেম। এ কারণেই কবি এই কার্তিকের নবান্নের দেশে প্রকৃতির বিভিন্ন অনুষঙ্গে ফিরে আসতে চেয়েছেন।উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধতার বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন। সেই সঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেম। 'জন্মভূমি' কবিতার মূলভাবেও কবির সৌন্দর্যপ্রীতি ও দেশপ্রেম গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এ কারণে উদ্দীপকের এ সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটিই হলো আলোচ্য কবিতার মূলভাব। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সৃজনশীল - ৮
এই অক্ষরে মাকে মনে পড়ে মন হয়ে যায় নদী, আর কিছু তাই পাই বা না পাই চিঠিখানা পাই যদি। সেই উপমায় মন ভরে যায় দেখি অপরূপ ছবি
কার ছায়ায় কবির অঙ্গ জুড়ায়?
“সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে”— কবি এ উক্তিটি কেন করেছেন?
উদ্দীপকে বর্ণিত 'বিষয়ে 'জন্মভূমি' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
““জন্মভূমি' কবিতার ভাবটি উদ্দীপকে প্রত্যক্ষভাবে ফুটে না উঠলেও পরোক্ষভাবে ফুটে উঠেছে।” মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
ক-এর উত্তর
জন্মভূমির ছায়ায় কবির অঙ্গ জুড়ায়।
খ-এর উত্তর
অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্যে ঘেরা এদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে কবি নিজেকে ধন্য মনে করেছেন।বিশ্বের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ বাংলাদেশ। এদেশের ঋতুবৈচিত্র্য, পাহাড়, সমুদ্র-নদীসহ সব প্রাকৃতিক উপকরণই কবির মনকে আনন্দ দেয়। এদেশের আলো-বাতাসে তিনি বেড়ে উঠেছেন। তাই এদেশে জন্মগ্রহণে তাঁর জীবন সার্থক হয়েছে।
গ-এর উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ে ‘জন্মভূমি' কবিতার মাতৃভূমির প্রতি মমত্বের দিকটি ফুটে উঠেছে।কোনো বিষয়ের প্রতি অধিক আকর্ষণ হওয়ার অন্যতম কারণ মমত্ববোধ। এই বোধটির মাধ্যমে কোনো বিষয়ের প্রতি একজন মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসা জন্ম দিতে থাকে।উদ্দীপকের কবিতাংশে বর্ণিত হয়েছে বাংলা ভাষার প্রতি অগাধ ভালোবাসা। মনের ভাব প্রকাশ করতে, চিঠি লিখতে, কথা বলতে, যোগাযোগ রক্ষা করতে এ ভাষা যেন আমাদের চোখের সামনে উজ্জ্বল ছবি হয়ে ভেসে ওঠে। 'জন্মভূমি' কবিতার কবি এদেশে জন্মগ্রহণ করে নিজেকে সার্থক মনে করেছেন। জন্মের সময় প্রথম সূর্যালোকে কবি যে অনাবিল আনন্দে চোখ জুড়িয়েছেন, সেই সূর্যালোকে এদেশের মাটিতেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হতে চান। উদ্দীপকে বর্ণিত এসব বিষয়ে 'জন্মভূমি' কবিতার মাতৃভূমির প্রতি মমত্বের দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ-এর উত্তর
“জন্মভূমি' কবিতার ভাবটি উদ্দীপকে প্রত্যক্ষভাবে ফুটে না উঠলেও পরোক্ষভাবে ফুটে উঠেছে।”— মন্তব্যটি যথার্থ।মা, মাতৃভূমি ও মাতৃভাষা মানুষের একান্ত আপন। কারণ সে জন্মের পর মায়ের কোলে প্রিয় মাতৃভূমিতে বেড়ে ওঠে এবং মাতৃভাষাতেই কথা বলতে শেখে।উদ্দীপকের ভাষ্যমতে প্রিয় মাতৃভাষার প্রতিটি বর্ণ আমাদের মনে আনন্দের জোয়ার বয়ে আনে। মাতৃভাষার প্রিয় বর্ণের মাধ্যমে কোনো লেখা বা কোনো আলোচনার বিষয় জানতে পারলেই তার স্পষ্ট ছবি আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে। 'জন্মভূমি' কবিতায় কবি জন্মভূমিকে হৃদয়ে লালন করার কথা বলেছেন। এদেশের আলো-বাতাস ও নানা প্রাকৃতিক উপাদানে বেড়ে উঠতে পেরে কবি নিজেকে ধন্য মনে করেছেন।উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রিয় মাতৃভাষার অক্ষরের প্রতি কবির মমত্ব, ভালোবাসা ও ভালো লাগা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অনুরূপভাবে ‘জন্মভূমি' কবিতায়ও জন্মভূমির প্রতি কবির অগাধ ভালোবাসা ও মমত্ব প্রকাশ পেয়েছে। 'জন্মভূমি' কবিতার ভাব উদ্দীপকে প্রত্যক্ষভাবে ফুটে না উঠলেও পরোক্ষভাবে ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সৃজনশীল - ৯
তোমার কথা ভাবলে মাগো. কি যে খুশি জাগে প্রাণে তুমি আছ শাশ্বত মা আমার গানে আমার ধ্যানে। তুমি আমার জীবন মরণ শান্তি সুখের আবাস ভূমি; ও আমার জন্মভূমি, ও আমার মাতৃভূমি।
কিসে কবির চোখ জুড়িয়েছে?
‘শুধু জানি আমার অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে।’- ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের কোন বিষয়টি 'জন্মভূমি' কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে?
চেতনাগত দিক থেকে উভয় কবিই সমান্তরাল- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
ক-এর উত্তর
জন্মভূমির আলোয় কবির চোখ জুড়িয়েছে।
খ-এর উত্তর
মাতৃভূমির শীতলতায় কবির হৃদয় জুড়ায়। এ বিষয়টিই আলোচ্য অংশে কবি প্রকাশ করেছেন।মাতৃভূমি গভীর মমতায় কবিকে আগলে রেখেছে। স্বদেশের স্নেহচ্ছায়া কবির প্রাণকে শীতল করে। পরম এক শান্তি প্রবাহিত হয় কবির মনে-প্রাণে। প্রশ্নোক্ত চরণে এই ভাবই প্রকাশ পেয়েছে।
গ-এর উত্তর
উদ্দীপকের স্বদেশপ্রেমের বিষয়টি 'জন্মভূমি' কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে।মা এবং জন্মভূমির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আমরা এক মায়ের কোলে জন্ম নিই আর অন্য মায়ের কোলে স্নেহ-মমতায় বেঁচে থাকি। তাই জন্মভূমি মায়ের মতোই আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি স্বদেশের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। তিনি জন্মভূমিকে বলেছেন শাশ্বত মা। কবি মনে করেন, এ জন্মভূমি তাঁর গানে, ধ্যানে, জীবনে ও মরণে শান্তি-সুখের আবাসভূমি। 'জন্মভূমি' কবিতায় কবি এই দেশে জন্মগ্রহণ করে নিজেকে সার্থক মনে করেছেন। তিনি জন্মভূমিকে ভালোবেসে জন্মভূমির মাটিতেই মৃত্যুবরণ করতে চান। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের স্বদেশপ্রেমের বিষয়টি 'জন্মভূমি' কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ-এর উত্তর
চেতনাগত দিক থেকে উভয় কবিই সমান্তরাল - মন্তব্যটি যথার্থ।জন্মভূমি মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। মানুষ জন্মভূমির আলো-হাওয়ায় বড় হয়। তাই জন্মভূমির সৌন্দর্যই মানুষের কাছে অতুলনীয়।উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। দেশকে তিনি শান্তি ও সুখের আবাসভূমি মনে করেন। তাঁর ধ্যানে ও গানে রয়েছে প্রিয় স্বদেশ। 'জন্মভূমি' কবিতার কবি ও স্বদেশের স্তুতি করেছেন। স্বদেশের সৌন্দর্যের কথা বর্ণনা করার মধ্য দিয়ে কবির গভীর দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতায় কবি তাই এদেশে জন্মগ্রহণ করে নিজেকে সার্থক মনে করেছেন।উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতার কবি উভয়েই দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। স্বদেশপ্রেমই উদ্দীপকের কবিতাংশ ও আলোচ্য কবিতার মূল উপজীব্য। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সৃজনশীল - ১০
ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা; তাহার মাঝে আছে দেশ এক ? সকল দেশের সেরা ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ, স্মৃতি দিয়ে ঘেরা; এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি
কবির অঙ্গ জুড়ায় কীসে?
কবির শেষ ইচ্ছা— ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে 'জন্মভূমি' কবিতার কোন দিকটির মিল লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক ও কবিতায় জন্মভূমিকে রানি সম্বোধন করার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা কর ।
ক-এর উত্তর
জন্মভূমির স্নেহচ্ছায়ায় কবির অঙ্গ জুড়ায়।
খ-এর উত্তর
কবির শেষ ইচ্ছা হলো, তিনি জন্মভূমির মাটিতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন।এ দেশে জন্মগ্রহণ করে এবং জন্মভূমিকে ভালোবাসতে পেরেই কবি তাঁর জীবনের সার্থকতা অনুভব করেন। এ দেশের মাটিতে জন্ম নিয়ে, এর সূর্যালোকে চোখ জুড়িয়ে এবং মাতৃভূমির স্নেহচ্ছায়ায় কবি সুখ ও শান্তি লাভ করেছেন। জন্মভূমির অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ কবির শেষ ইচ্ছা, এ দেশের মাটিতেই তিনি যেন চিরনিদ্রায় শায়িত হতে পারেন।
গ-এর উত্তর
জন্মভূমিকে শ্রেষ্ঠ মনে করার দিক দিয়ে উদ্দীপকটি ‘জন্মভূমি’ কবিতার সাথে মিল লক্ষ করা যায়।প্রকৃতিগতভাবেই মানুষের জন্মভূমির প্রতি মমত্ববোধ তৈরি হয়। জন্মভূমির আশ্রয়ে বেড়ে ওঠার কারণে আরও আপন মনে হয় এবং জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার কারণেই তাকে সব দেশের চেয়ে সেরা মনে হয়।'জন্মভূমি' কবিতায় কবি এদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে জীবনকে সার্থক মনে করেছেন। জন্মভূমির সবকিছু কবিকে মুগ্ধ করে। তাই তিনি এদেশের মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হতে চান। উদ্দীপকে কবি স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজের দেশকে সব দেশের মধ্যে সেরা মনে করেছেন। কবির কাছে তার জন্মভূমিকে অন্য সব দেশের রানি মনে হয়েছে। ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে 'জন্মভূমি' কবিতার কবি ও উদ্দীপকের কবির মধ্যে মাতৃভূমিকে শ্রেষ্ঠ মনে করার দিক থেকে মিল রয়েছে।
ঘ-এর উত্তর
উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতায় জন্মভূমিকে রানি সম্বোধন করার পেছনে যৌক্তিকতা রয়েছে। কারণ রানি যেমন নানা ধনসম্পদে ও সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ থাকে তেমনি আমাদের দেশও শস্য-শ্যামল ও সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ।আমাদের এ দেশ নানা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সম্পদে পরিপূর্ণ। বাংলা প্রকৃতির এই সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্যের জন্য এ দেশ পৃথিবীর সকল দেশের সেরা।উদ্দীপকের প্রথমে পৃথিবীর বন্দনা করা হয়েছে। এই পৃথিবীর সকল দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে। এদেশের মতো আর কোনো দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে কবি মনে করেন। “জন্মভূমি' কবিতায়ও কবি এদেশে জন্মগ্রহণ করাতে জীবন সার্থক মনে করেছেন। জন্মভূমির অপরূপ সৌন্দর্যে কবি মুগ্ধ। কবি জন্মভূমির স্নেহচ্ছায়ায় বেড়ে ওঠাকেই বড় বলে মনে করেন। আমাদের দেশে রয়েছে সৌন্দর্য ও শস্য-শ্যামলের প্রাচুর্য যা রানির সাথে সাদৃশ্য তৈরি করে। তাই উদ্দীপক ও কবিতায় জন্মভূমিকে রানি বলা যৌক্তিক হয়েছে।
সৃজনশীল - ১১
দেশের মাটি দেশের মানুষ নানা রকম বেশ, রাড়ি বাগান পাখপাখালি সব মিলে এক ছবি, নেই তুলি নেই রঙ, তবুও আঁকতে পারি সবই।
'গগন' শব্দের অর্থ কী?
চাঁদ গগনে কীভাবে হেসে ওঠে?
'জন্মভূমি' কবিতায় উদ্দীপকের কোন বিষয়টি অনুপস্থিত রয়েছে? ব্যাখ্যা কর ।
“'জন্মভূমি' কবিতায় এবং উদ্দীপকে মাতৃভূমির প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।” - মন্তব্যটিতে যুক্তি দেখাও।
ক-এর উত্তর
গগন' শব্দের অর্থ আকাশ।
খ-এর উত্তর
কোমল স্নিগ্ধ উজ্জ্বল আলোয় চাঁদ গগনে হেসে ওঠে।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার আমাদের এই সোনার বাংলাদেশ। এদেশের মাঠে-ঘাটে, নদীতে, পাহাড়ে যেমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রূপটি আমাদের নয়নকে আনন্দ দেয়, দিনের সূর্য যেমন পৃথিবীর বুকে আলো ও উষ্ণতা দেয়, অনুরূপভাবে রাতের আকাশ স্নিগ্ধ, কোমল ও মায়াবী হয়ে ওঠে চাঁদের আলোয়। মনে হয় গগনজুড়ে চাঁদটি হেসে উঠেছে।
গ-এর উত্তর
জন্মভূমি' কবিতায় উদ্দীপকের নানা রকম মানুষের বর্ণনার বিষয়টি অনুপস্থিত রয়েছে।মাতৃভূমির প্রতি মমত্ব থাকা প্রত্যেক মানুষের উচিত। কারণ জন্মের পর মানুষের প্রথম আশ্রয়ের জায়গাটি তার প্রিয় জন্মভূমিতেই। তারপর এটি মানুষকে মাতৃস্নেহে বড় করতে থাকে তার আলো-বাতাসে। উদ্দীপকে স্বদেশপ্রেমের পাশাপাশি স্বদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পরিচয় ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে ‘জন্মভূমি’ কবিতায় স্বদেশের প্রতি অগাধ মমত্ববোধের কথাটি থাকলেও এদেশের মানুষের পেশা বা জীবনাচরণের বর্ণনা নেই। সুতরাং দেশের মানুষের নানা পেশার দিকটি 'জন্মভূমি' কবিতায় অনুপস্থিত রয়েছে।
ঘ-এর উত্তর
“'জন্মভূমি' কবিতা এবং উদ্দীপকে মাতৃভূমির প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।” - মন্তব্যটি যথার্থ।মানুষের মনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে গড়ে তোলার যত উপাদান রয়েছে সেগুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক অনুষঙ্গই প্রধান। বাংলার প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ বা উপাদান আমাদের অহংকার। উদ্দীপকের বর্ণনা থেকে জানা যায় মাটি, বাগান ও পাখপাখালির কথা। এগুলো প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ। এসব অনুষঙ্গ যেমন একদিকে দেশের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়, অন্যদিকে মাটির প্রতি মমত্ববোধও তৈরি করে। 'জন্মভূমি' কবিতায়ও কবি প্রাকৃতিক নানা অনুষঙ্গ বর্ণনা করেছেন। এ দেশের মাটি, আলো, বাতাসে কবি লালিত-পালিত। বৃক্ষের সুশীতল ছায়ায় বসে কবি যেন সবসময় মায়ের পরশ পান। উদ্দীপকে যেমন মাটি, মাঠ, বাগান ও পাখপাখালিসহ প্রাকৃতিক নানা উপাদান বর্ণিত হয়েছে, 'জন্মভূমি' কবিতায়ও প্রিয় জন্মভূমির মাটি, আলো-বাতাস, বৃক্ষ ও ছায়াসহ নানা প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের বর্ণনা রয়েছে। সুতরাং 'জন্মভূমি' কবিতা এবং উদ্দীপকে মাতৃভূমির প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সৃজনশীল - ১২
(i) জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে। (ii) 'সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে । সার্থক জনম, মাগো, তোমায় ভালোবেসে
উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশ কোন কবিতার অংশবিশেষ?
কবির জনম সার্থক কেন?
উদ্দীপক দুটির মধ্যে সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
জন্মভূমির প্রতি কবির ব্যাকুলতা উদ্দীপকের আলোকে বিচার কর ।
ক-এর উত্তর
উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশ, 'জন্মভূমি' কবিতার অংশবিশেষ।
খ-এর উত্তর
এই দেশে জন্মে এবং এই দেশকে ভালোবেসে কবির জন্ম সার্থক হয়েছে।কবি এদেশে জন্মগ্রহণ করেছেন। এদেশের প্রকৃতি, এদেশের সৌন্দর্য সবই তাঁকে মুগ্ধ করেছে এবং এদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে, এদেশকে ভালোবাসতে পেরে তাই তাঁর জীবন সার্থক হয়েছে। এই দেশের রানির মতো ধনসম্পত্তি আছে কিনা তা কবি ভাবেননি। তিনি এই দেশের প্রকৃতিতে নিজের জীবন বিলীন করে দিতে চান শুধু এই দেশের প্রতি ভালোবাসা বোধ থেকে। এ দেশে জন্মগ্রহণ করে এবং এ দেশকে ভালোবেসে কবির জন্ম সার্থক হয়েছে।
গ-এর উত্তর
জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার দিক দিয়ে উদ্দীপক দুটির মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে।জন্মভূমি আমাদের মায়ের মতো। আমরা মায়ের কোলে জন্ম নিই এবং বেড়ে উঠি। একইভাবে আমরা দেশের কোলে জন্ম নিই এবং বেড়ে উঠি। তাই আমরা মাকে যেভাবে ভালোবাসি, দেশকেও সেভাবেই ভালোবাসি।উদ্দীপক (i)-এ দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসাবোধ প্রকাশ পেয়েছে। আর এই ভালোবাসা থেকেই জন্মভূমিতে জন্ম নিয়ে আবার সেখানেই মারা যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন কবি। উদ্দীপক (ii)-এ নিজ দেশে জন্ম নিয়ে নিজেকে সার্থক মনে করা হয়েছে। কবি দেশের প্রতি অগাধ ও অসীম ভালোবাসা থেকেই নিজেকে দেশের অংশ মনে করে এমন ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। উদ্দীপক দুটির মধ্যে দেশের প্রতি এক গভীর ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলা যায়, জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার দিক থেকে উদ্দীপক দুটির সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ-এর উত্তর
উদ্দীপকের মাঝে জন্মভূমির প্রতি কবির ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে।জন্মভূমির সঙ্গে প্রত্যেক মানুষেরই মনের গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়। জন্মের পর থেকে দেশের আলো, বাতাস, প্রকৃতি— সবকিছু মানুষের মনে এই ভালোবাসার সত্যার ঘটায়। তাই জন্মভূমি প্রত্যেকের কাছে প্রাণের চেয়েও প্রিয়।উদ্দীপক (i)-এ নিজ দেশে জন্ম নিয়ে সেই দেশেই নিজের মৃত্যু যেন নিশ্চিত হয় সেই কামনা করা হয়েছে। দেশ থেকে দূরে গিয়ে মানুষ শান্তিতে মরতেও পারে না। দেশের প্রতি ব্যাকুলতা ও ভালোবাসা থেকেই মানুষের এমন বোধ জাগ্রত হয়। উদ্দীপক (ii)-এ দেশে জন্ম নিয়ে এবং তাকে ভালোবেসে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন কবি। কারণ, নিজ দেশের সৌন্দর্য মানুষকে এতটাই বিমোহিত করে যে, তাকে ভালোবাসতে পারলেও নিজেকে ধন্য মনে হয়।উদ্দীপক (i)-এ নিজের দেশে নিজের জন্ম ও মৃত্যু কামনার মধ্য দিয়ে কবি হৃদয়ের গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটিয়েছেন জন্মভূমির প্রতি। অন্যদিকে উদ্দীপক (ii)-এ নিজ দেশে জন্মে ও দেশকে ভালোবেসে নিজেকে সার্থক মনে করতে পারার অনুভূতি দেশের প্রতি ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ। তাই বলা যায়, জন্মভূমিকে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে উদ্দীপকে জন্মভূমির প্রতি কবির ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে।
সৃজনশীল - ১৩
ভোরের সূর্যের সোনালি আলোয় জেগে ওঠে দেশ...
কবির চোখ জুড়ায় কিসে?
কবি তাঁর জন্মভূমিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হতে চান কেন?
উদ্দীপকটি 'জন্মভূমি' কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
“উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতার মূলভাব পুরোপুরি এক নয়”— মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর
ক-এর উত্তর
জন্মভূমির আলোয় কবির চোখ জুড়ায়।
খ-এর উত্তর
দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থাকার কারণে কবি তাঁর জন্মভূমিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হতে চান।জন্মের পর চোখ মেলে কবি এই দেশের আলো দেখেছেন, যা কবির চোখ জুড়িয়ে দিয়েছে। এই দেশকে কবি ভালোবেসেছেন সমস্ত সত্তা দিয়ে। দেশের প্রতি অসীম ভালোবাসা থাকার কারণে কবি তাঁর জন্মভূমিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হতে চান।
গ-এর উত্তর
স্বদেশের সৌন্দর্য বর্ণনার দিক দিয়ে উদ্দীপকটি 'জন্মভূমি' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এদেশের প্রত্যেক মানুষকেই মুগ্ধ করে। প্রকৃতি যেন তার সব মাধুরী দিয়ে সাজিয়েছে বাংলাকে। আর এই সৌন্দর্যপ্রীতি থেকেই জন্ম নেয় ভালোবাসা ও দেশপ্রেম।উদ্দীপকের বর্ণনায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা। এদেশ ভোরের সূর্যের সোনালি আলোয় জেগে ওঠে। পাখির ডাক, দোয়েলের শিস, কৃষকের মাঠে যাওয়া, মাঝির নৌকা বাওয়া, ফসলের মাঠ, সবুজের সমারোহ— সবকিছুর মাঝেই অপরূপ সৌন্দর্য লক্ষ করা যায়। 'জন্মভূমি' কবিতায়ও কবি বাংলার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। এদেশের প্রকৃতির প্রতিটি অনুষঙ্গেই কবি মুগ্ধ হয়েছেন। আর এভাবেই উদ্দীপকটি 'জন্মভূমি' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ-এর উত্তর
"উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতার মূলভাব পুরোপুরি এক নয়”— মন্তব্যটি যথার্থ।জন্মভূমির বিভিন্ন অনুষঙ্গের সৌন্দর্য থেকে মানুষ কখনো বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। জন্মভূমির সৌন্দর্য মানুষকে বারবার মুগ্ধ করে। আর এই মুগ্ধতা থেকেই জন্ম নেয় ভালোবাসা।'জন্মভূমি' কবিতায় কবি বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। এদেশের বাগানে ফুল, চাঁদের জ্যোৎস্না, সূর্যের আলো— সবকিছুতেই ছড়িয়ে আছে অফুরন্ত সৌন্দর্য। স্বদেশের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে কবি মুগ্ধ হয়েছেন। উদ্দীপকেও বলা হয়েছে এদেশের ভোরের সূর্যের সোনালি আলো, পাখির ডাক, সবুজের সমারোহ, ফসলের মাঠের সৌন্দর্যের কথা।উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতা— উভয় ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা রয়েছে। তবে 'জন্মভূমি' কবিতায় বাংলার সৌন্দর্য বর্ণনার পাশাপাশি দেশপ্রেমের বিষয়টিও গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে, যা উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, উদ্দীপক ও ‘জন্মভূমি' কবিতার মূলভাব পুরোপুরি এক নয় মন্তব্যটি যথার্থ।
সৃজনশীল - ১৪
আমি ভালোবাসি আমার নদীর বালুচর...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
জন্মভূমির ছায়াতলে এসে কবির অঙ্গ জুড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা কর ।
উদ্দীপকে 'জন্মভূমি' কবিতার কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? বর্ণনা কর।
“উদ্দীপকে ‘জন্মভূমি' কবিতার সব দিক ফুটে ওঠেনি”— মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর ।
ক-এর উত্তর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
খ-এর উত্তর
প্রিয় মাতৃভূমির ছায়াতলে এলে কবির অঙ্গ জুড়ানোর কারণ হলো, এটি কবিকে সব হতাশা ও ক্লান্তির ভাব দূর করে এক সফল জীবনের সন্ধান দেয়।'জন্মভূমি' কবিতাটিতে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বদেশপ্রেমের অপরূপ চিত্র তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন, মা যেমন শিশুকে স্নেহ-মায়া-মমতা ও ভালোবাসা দ্বারা আপন করে নেয়, অনুরূপভাবে প্রিয় জন্মভূমিও কবিকে আপন করে নিয়েছে। এমন দেশমাতৃকার স্নেহই একমাত্র কবির কাম্য। প্রিয় স্বদেশের স্বর্গীয় ভূমিতে মাথা রাখলে সব সমস্যার সমাধান আসে, নতুন জীবনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। এসব কারণেই প্রিয় মাতৃভূমির ছায়াতলে এলে কবির অঙ্গ জুড়ায়।
গ-এর উত্তর
উদ্দীপকে 'জন্মভূমি' কবিতার প্রকৃতিচেতনার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।নানা বিষয়ের সমন্বয়ে পৃথিবী সজ্জিত। এত সব উপাদানের ভিতরে প্রাকৃতিক অনুষঙ্গের ভূমিকা সর্বাগ্রে। কেননা এটি সুন্দরকে আরও বেশি সুন্দর, সজীবতাকৈ আরও বেশি সজীব করে থাকে।উদ্দীপকের কবি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা একটি ছবির মতো দেশের বর্ণনা দিয়েছেন। শরতের সকালে কাশফুল ফুটতে থাকে, নদীর বালুচরে পাখিদের বসবাস দেখা যায়। আবার শীতকালেও প্রকৃতির শোভাবর্ধন করে বিভিন্ন প্রজাতির হাঁসের ছড়াছড়িতে। 'জন্মভূমি' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সবুজ-শ্যামল প্রিয় জন্মভূমির ঐশ্বর্যের বর্ণনা দিয়েছেন বিভিন্ন ধরনের ফুল, আকাশের চাঁদ ও গাছের সৌন্দর্য আরেক ধাপ বৃদ্ধি করে। সুতরাং উদ্দীপকে 'জন্মভূমি' কবিতার প্রাকৃতিক বিষয়টির ইঙ্গিত রয়েছে।
ঘ-এর উত্তর
“উদ্দীপকে 'জন্মভূমি' কবিতাটির সব দিক ফুটে ওঠেনি”— মন্তব্যটি যথার্থ।জন্মের পর স্বদেশই মানুষের প্রথম আশ্রয়স্থল হয়। এজন্যই জন্মভূমি প্রত্যেকের কাছে খুবই মমতার ও ভালোবাসার। আস্তে আস্তে মানুষ জন্মভূমির আলো-বাতাসে লালিত-পালিত হতে থাকে, আরও বেশি দেশমাতৃকার সঙ্গে ব্যক্তিমনের অভিন্ন জগৎ তৈরি হয়।উদ্দীপক থেকে জানা যায় কবির স্বদেশপ্রকৃতির বৈচিত্র্যময় শোভা। বছরের কোনো কোনো সময় দেখা যায় নদীতীরের বালুচরে চকাচকির ঘর বাঁধা। আবার কখনো দেখা যায় ভিন্ন প্রজাতির হাঁস ও কাশফুলের মনোমুগ্ধকর চিত্র। 'জন্মভূমি' কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বদেশপ্রেমের প্রতি ভালোবাসা ও মমতা ফুটে উঠেছে। দেশমাতৃকার কাছ থেকে কবি যে মমতা ও ভালোবাসা পাচ্ছেন তা অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। বিপদে-আপদে এটি কবির শ্রেষ্ঠ ও একমাত্র আশ্রয়স্থল।উদ্দীপকে শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ঘেরা বিভিন্ন ঋতুর অপরূপ শোভার বিষয়টি জানা যায়। অন্যদিকে 'জন্মভূমি' কবিতায় স্বদেশের শোভা, মমতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটি অসাধারণত্বের সঙ্গে বর্ণিত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটিই একমাত্র বিষয় নয় 'জন্মভূমি' কবিতায়; বরং বৈচিত্র্যপূর্ণ বিষয়েরও সংযোজন ঘটেছে। সুতরাং মন্তব্যটি যথার্থ।
সৃজনশীল - ১৫
ক্রিস্টিন বাংলাদেশি হলেও জন্ম ও বেড়ে ওঠা দেশের বাইরে। বাংলাদেশে ঘুরতে এসে এদেশের প্রকৃতি দেখে সে মুগ্ধ হয় । দেশের প্রতি তার ভালোবাসা জন্মে। পরে সিদ্ধান্ত নেয় যে, সে এখন থেকে এদেশেই থাকবে। দেশের বাইরে আর ফিরে যাবে না।
এশীয়দের মধ্যে প্রথম নোবেল বিজয়ী কবি কে?
কবি দেশের আলোয় নয়ন রেখে মৃত্যুবরণ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন কেন?
উদ্দীপকের সঙ্গে 'জন্মভূমি' কবিতার কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে?
“উদ্দীপকের ক্রিস্টিন এবং 'জন্মভূমি' কবিতার কবির চেতনা একই সূত্রে গাঁথা" - মন্তব্যটি যাচাই কর।
ক-এর উত্তর
এশীয়দের মধ্যে প্রথম নোবেল বিজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
খ-এর উত্তর
দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থাকার কারণে কবি দেশের আলোয় চোখ রেখে মৃত্যুবরণ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।জন্মের পর চোখ মেলে প্রথমে কবি দেশের আলো দেখেছেন, যা কবির চোখ জুড়িয়ে দিয়েছে। দেশকে কবি ভালোবেসেছেন সমস্ত সত্তা দিয়ে এবং দেশের প্রতি অসীম ভালোবাসা থাকার কারণে দেশের আলোয় চোখ রেখে মৃত্যুবরণ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
গ-এর উত্তর
উদ্দীপকের সঙ্গে 'জন্মভূমি' কবিতার দেশের প্রতি ভালোবাসার দিক দিয়ে সাদৃশ্য রয়েছে।জন্মভূমি থেকে মানুষ অনেক দূরে থাকলেও তার প্রতি এক ধরনের ভালোবাসার টান কাজ করে। অনেক দূরে থাকলেও মানুষ তার মাতৃভূমির কথা ভুলতে পারে না। আর এটিই হলো দেশপ্রেম ও দেশের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।উদ্দীপকের ক্রিস্টিন দেশের বাইরে থাকলেও দেশে ফিরে আসার পর দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাকে মুগ্ধ করে। দেশের প্রতি ভালোবাসা জন্মানোর কারণেই সে আর দেশ ছেড়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। 'জন্মভূমি' কবিতায়ও কবি দেশের সৌন্দর্যের কথা তুলে ধরেছেন। দেশের প্রতি ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের ভিন্নতা প্রকাশ করেছেন। উদ্দীপকে কিস্টিনের দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে আর কবিতায় কবির দেশপ্রেম উঠে এসেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতা দেশপ্রেমের দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ-এর উত্তর
“উদ্দীপকের ক্রিস্টিন এবং 'জন্মভূমি' কবিতার কবির চেতনা একই সূত্রে গাঁথা”— উক্তিটি সার্থক হয়েছে।মা যেমন ছোট থেকে আমাদের বড় করে তোলে, দেশের মাটি, দেশের প্রকৃতিও আমাদেরকে সেভাবেই গড়ে তোলে। তাই দেশের প্রতি আমাদের সবার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।উদ্দীপকের ক্রিস্টিন দেশের বাইরে থাকলেও দেশে ফিরে সে দেশের প্রতি ভালোবাসা অনুভব করে। দেশের প্রকৃতি দেখে সে মুগ্ধ হয়ে দেশেই থেকে যায়। দেশের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাবোধ তাকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। 'জন্মভূমি' কবিতায় কবি দেশের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। এদেশে জন্ম নেওয়ায় তিনি নিজেকে সার্থক মনে করেছেন।উদ্দীপকে ক্রিস্টিনের দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে আর কবিতায় কবিরও দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশিত হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ক্রিস্টিন এবং ‘জন্মভূমি' কবিতার কবির চেতনা একই সূত্রে গাঁথা।
সৃজনশীল - ১৬
আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয়- হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে; হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়; হয়তো বা হাঁস হবো- কিশোরীর ঘুঙুর রহিবে লাল পায়, সারাদিন কেটে যাবে কলমির গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে; আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ খেত ভালোবেসে জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়;
কবি কাকে ভালোবেসে সার্থক হয়েছেন?
কবি কেন জন্মভূমিকে মায়ের সাথে তুলনা করেছেন? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকটিতে 'জন্মভূমি' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর ।
“উদ্দীপকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটিই 'জন্মভূমি' কবিতার মূলভাব।” – বিশ্লেষণ কর ।
ক-এর উত্তর
কবি জন্মভূমিকে ভালোবেসে সার্থক হয়েছেন।
খ-এর উত্তর
জন্মভূমিতে আমরা জন্মের পর থেকে বেড়ে উঠি। তাই কবি জন্মভূমিকে মায়ের সাথে তুলনা করেছেন।জন্মের পর থেকে মানুষ নিজ দেশের আলো-ছায়া ও আবহাওয়ায় বেড়ে ওঠে। মানুষের বেড়ে ওঠার পেছনে যেমন তার মায়ের ভূমিকা অপরিসীম, তেমনই জন্মভূমির ভূমিকাও অনস্বীকার্য। কারণ জন্মভূমিও মানুষকে মায়ের মতো আলো, বাতাস, ছায়া, মমতা ইত্যাদি দিয়ে আগলে রাখে। কবিতায় কবি নিজের জন্মভূমির কথাও এভাবে ব্যক্ত করেছেন। তাই তিনি জন্মভূমিকে মায়ের সাথে তুলনা করেছেন।
গ-এর উত্তর
উদ্দীপকটিতে 'জন্মভূমি' কবিতার বাংলার প্রকৃতির সৌন্দর্যে কবির মুগ্ধতার দিকটি ফুটে উঠেছে।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের এই দেশ। প্রকৃতি তার নানা অনুষঙ্গে সজ্জিত করেছে এই বাংলাকে। বাংলার এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মানুষ বারবার মুগ্ধ হয়েছে। মুগ্ধতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে তাদের অনুভূতিতে।‘জন্মভূমি' কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এক চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। প্রকৃতির প্রতিটি অনুষঙ্গই কবিকে মুগ্ধ করেছে। এই মুগ্ধতা থেকে প্রকাশ পেয়েছে দেশের প্রতি কবির গভীর ভালোবাসা। বাগানের ফুল, সূর্যের আলো, চাঁদের জোৎস্না- সর্বত্রই ছড়িয়ে আছে অবারিত সৌন্দর্যের ঘনঘটা। উদ্দীপকের কবিতাংশেও বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে কবির মুগ্ধতার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে দেশের প্রতি জাগ্রত প্রচণ্ড ভালোবাসা থেকেই মৃত্যুর পরেও আবার এই দেশে ফিরে আসতে চেয়েছেন। 'জন্মভূমি' কবিতার স্বদেশের প্রকৃতিকে ভালোবাসার ও মুগ্ধতার দিকটিই উদ্দীপকের কবিতাংশে উঠে এসেছে।
ঘ-এর উত্তর
"উদ্দীপকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটিই 'জন্মভূমি' কবিতার মূলভাব।”— মন্তব্যটি যথার্থ।জন্মভূমির প্রতিটি বিষয়ের সঙ্গেই রয়েছে মানুষের গভীর সম্পর্ক। জন্মভূমির বিভিন্ন অনুষঙ্গের সৌন্দর্য থেকে মানুষ কখনো বিচ্ছিন্ন নয়। এই সৌন্দর্যপ্রীতি থেকেই মানুষের মধ্যে জন্ম নেয় ভালোবাসা ও দেশপ্রেম।'জন্মভূমি' কবিতায় কবি মুগ্ধ দৃষ্টিতে বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনায় কবির মমত্ববোধ ও গভীর দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে। এ কারণেই কবি এই বাংলায় জন্মগ্রহণ করে, জন্মভূমিকে ভালোবাসতে পেরে জীবনের সার্থকতা অনুভব করেছেন। কবি মাতৃভূমির স্নেহচ্ছায়ায় যে সুখ ও শান্তি লাভ করেছেন তা অতুলনীয়।উদ্দীপকের কবিতাংশেও কবি বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মুগ্ধতায় ফুটে উঠেছে গভীর দেশপ্রেম। এ কারণেই কবি এই কার্তিকের নবান্নের দেশে প্রকৃতির বিভিন্ন অনুষঙ্গে ফিরে আসতে চেয়েছেন।উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধতার বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন। সেই সঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেম। 'জন্মভূমি' কবিতার মূলভাবেও কবির সৌন্দর্যপ্রীতি ও দেশপ্রেম গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এ কারণে উদ্দীপকের এ সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটিই হলো আলোচ্য কবিতার মূলভাব। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সৃজনশীল - ১৭
এই অক্ষরে মাকে মনে পড়ে মন হয়ে যায় নদী, আর কিছু তাই পাই বা না পাই চিঠিখানা পাই যদি। সেই উপমায় মন ভরে যায় দেখি অপরূপ ছবি
কার ছায়ায় কবির অঙ্গ জুড়ায়?
“সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে”— কবি এ উক্তিটি কেন করেছেন?
উদ্দীপকে বর্ণিত 'বিষয়ে 'জন্মভূমি' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
““জন্মভূমি' কবিতার ভাবটি উদ্দীপকে প্রত্যক্ষভাবে ফুটে না উঠলেও পরোক্ষভাবে ফুটে উঠেছে।” মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
ক-এর উত্তর
জন্মভূমির ছায়ায় কবির অঙ্গ জুড়ায়।
খ-এর উত্তর
অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্যে ঘেরা এদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে কবি নিজেকে ধন্য মনে করেছেন।বিশ্বের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ বাংলাদেশ। এদেশের ঋতুবৈচিত্র্য, পাহাড়, সমুদ্র-নদীসহ সব প্রাকৃতিক উপকরণই কবির মনকে আনন্দ দেয়। এদেশের আলো-বাতাসে তিনি বেড়ে উঠেছেন। তাই এদেশে জন্মগ্রহণে তাঁর জীবন সার্থক হয়েছে।
গ-এর উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ে ‘জন্মভূমি' কবিতার মাতৃভূমির প্রতি মমত্বের দিকটি ফুটে উঠেছে।কোনো বিষয়ের প্রতি অধিক আকর্ষণ হওয়ার অন্যতম কারণ মমত্ববোধ। এই বোধটির মাধ্যমে কোনো বিষয়ের প্রতি একজন মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসা জন্ম দিতে থাকে।উদ্দীপকের কবিতাংশে বর্ণিত হয়েছে বাংলা ভাষার প্রতি অগাধ ভালোবাসা। মনের ভাব প্রকাশ করতে, চিঠি লিখতে, কথা বলতে, যোগাযোগ রক্ষা করতে এ ভাষা যেন আমাদের চোখের সামনে উজ্জ্বল ছবি হয়ে ভেসে ওঠে। 'জন্মভূমি' কবিতার কবি এদেশে জন্মগ্রহণ করে নিজেকে সার্থক মনে করেছেন। জন্মের সময় প্রথম সূর্যালোকে কবি যে অনাবিল আনন্দে চোখ জুড়িয়েছেন, সেই সূর্যালোকে এদেশের মাটিতেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হতে চান। উদ্দীপকে বর্ণিত এসব বিষয়ে 'জন্মভূমি' কবিতার মাতৃভূমির প্রতি মমত্বের দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ-এর উত্তর
“জন্মভূমি' কবিতার ভাবটি উদ্দীপকে প্রত্যক্ষভাবে ফুটে না উঠলেও পরোক্ষভাবে ফুটে উঠেছে।”— মন্তব্যটি যথার্থ।মা, মাতৃভূমি ও মাতৃভাষা মানুষের একান্ত আপন। কারণ সে জন্মের পর মায়ের কোলে প্রিয় মাতৃভূমিতে বেড়ে ওঠে এবং মাতৃভাষাতেই কথা বলতে শেখে।উদ্দীপকের ভাষ্যমতে প্রিয় মাতৃভাষার প্রতিটি বর্ণ আমাদের মনে আনন্দের জোয়ার বয়ে আনে। মাতৃভাষার প্রিয় বর্ণের মাধ্যমে কোনো লেখা বা কোনো আলোচনার বিষয় জানতে পারলেই তার স্পষ্ট ছবি আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে। 'জন্মভূমি' কবিতায় কবি জন্মভূমিকে হৃদয়ে লালন করার কথা বলেছেন। এদেশের আলো-বাতাস ও নানা প্রাকৃতিক উপাদানে বেড়ে উঠতে পেরে কবি নিজেকে ধন্য মনে করেছেন।উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রিয় মাতৃভাষার অক্ষরের প্রতি কবির মমত্ব, ভালোবাসা ও ভালো লাগা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অনুরূপভাবে ‘জন্মভূমি' কবিতায়ও জন্মভূমির প্রতি কবির অগাধ ভালোবাসা ও মমত্ব প্রকাশ পেয়েছে। 'জন্মভূমি' কবিতার ভাব উদ্দীপকে প্রত্যক্ষভাবে ফুটে না উঠলেও পরোক্ষভাবে ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
সৃজনশীল - ১৮
তোমার কথা ভাবলে মাগো. কি যে খুশি জাগে প্রাণে তুমি আছ শাশ্বত মা আমার গানে আমার ধ্যানে। তুমি আমার জীবন মরণ শান্তি সুখের আবাস ভূমি; ও আমার জন্মভূমি, ও আমার মাতৃভূমি।
কিসে কবির চোখ জুড়িয়েছে?
‘শুধু জানি আমার অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে।’- ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের কোন বিষয়টি 'জন্মভূমি' কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে?
চেতনাগত দিক থেকে উভয় কবিই সমান্তরাল- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
ক-এর উত্তর
জন্মভূমির আলোয় কবির চোখ জুড়িয়েছে।
খ-এর উত্তর
মাতৃভূমির শীতলতায় কবির হৃদয় জুড়ায়। এ বিষয়টিই আলোচ্য অংশে কবি প্রকাশ করেছেন।মাতৃভূমি গভীর মমতায় কবিকে আগলে রেখেছে। স্বদেশের স্নেহচ্ছায়া কবির প্রাণকে শীতল করে। পরম এক শান্তি প্রবাহিত হয় কবির মনে-প্রাণে। প্রশ্নোক্ত চরণে এই ভাবই প্রকাশ পেয়েছে।
গ-এর উত্তর
উদ্দীপকের স্বদেশপ্রেমের বিষয়টি 'জন্মভূমি' কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে।মা এবং জন্মভূমির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আমরা এক মায়ের কোলে জন্ম নিই আর অন্য মায়ের কোলে স্নেহ-মমতায় বেঁচে থাকি। তাই জন্মভূমি মায়ের মতোই আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি স্বদেশের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। তিনি জন্মভূমিকে বলেছেন শাশ্বত মা। কবি মনে করেন, এ জন্মভূমি তাঁর গানে, ধ্যানে, জীবনে ও মরণে শান্তি-সুখের আবাসভূমি। 'জন্মভূমি' কবিতায় কবি এই দেশে জন্মগ্রহণ করে নিজেকে সার্থক মনে করেছেন। তিনি জন্মভূমিকে ভালোবেসে জন্মভূমির মাটিতেই মৃত্যুবরণ করতে চান। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের স্বদেশপ্রেমের বিষয়টি 'জন্মভূমি' কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে।
ঘ-এর উত্তর
চেতনাগত দিক থেকে উভয় কবিই সমান্তরাল - মন্তব্যটি যথার্থ।জন্মভূমি মানুষের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। মানুষ জন্মভূমির আলো-হাওয়ায় বড় হয়। তাই জন্মভূমির সৌন্দর্যই মানুষের কাছে অতুলনীয়।উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। দেশকে তিনি শান্তি ও সুখের আবাসভূমি মনে করেন। তাঁর ধ্যানে ও গানে রয়েছে প্রিয় স্বদেশ। 'জন্মভূমি' কবিতার কবি ও স্বদেশের স্তুতি করেছেন। স্বদেশের সৌন্দর্যের কথা বর্ণনা করার মধ্য দিয়ে কবির গভীর দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতায় কবি তাই এদেশে জন্মগ্রহণ করে নিজেকে সার্থক মনে করেছেন।উদ্দীপক ও 'জন্মভূমি' কবিতার কবি উভয়েই দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। স্বদেশপ্রেমই উদ্দীপকের কবিতাংশ ও আলোচ্য কবিতার মূল উপজীব্য। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

COMMENTS

Loaded All Posts Not found any posts VIEW ALL Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy Table of Content